সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞানীদের নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, কার্যকর সভার মূল চাবিকাঠি হলো সক্রিয়ভাবে শোনা, অন্যদের কথার উপর কথা না বলা। বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন প্রায় ১ বিলিয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা তাঁদের কর্মদিবসের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ সময় এসবে ব্যয় করেন। সভা-বিজ্ঞান, যা একটি ক্রমবর্ধমান গবেষণা ক্ষেত্র, দেখায় যে স্পষ্ট লক্ষ্য ও সুসংগঠিত কাঠামোর সভা মানুষের সংযোগ ও সহযোগিতার চাহিদা পূরণ করে।
গবেষকরা সভার গতিশীলতা অধ্যয়ন করতে জরিপ এবং ভিডিও রেকর্ডিং বিশ্লেষণ ব্যবহার করেন। পরীক্ষায় দেখা গেছে, যেসব নেতা দলের প্রতিক্রিয়া মনোযোগ দিয়ে শোনেন, তাঁরা দলের কর্মক্ষমতা বাড়ান, অন্যদিকে যারা প্রশ্ন করেন কিন্তু উত্তর শোনেন না, তাঁরা তা ক্ষতিগ্রস্ত করেন। ভার্চুয়াল সভায় কথা না বললে মিউট করে রাখার অভ্যাস প্রায়ই সক্রিয় শ্রবণকে পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়। সভার নেতাদের আধিপত্য না করে শোনার মাধ্যমে নেতৃত্ব দেওয়ার মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হয়।
এই ফলাফল একটি সহজ সত্যকে তুলে ধরে: কম কথা বলা ও বেশি শোনা সভাকে অনেক বেশি উৎপাদনশীল করে তোলে।
উৎস: Ars Technica · সারাংশ: HeadlinesBriefing