দ্বিতীয় Antariksha যুদ্ধ চলছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ব্যক্তিগত কোম্পানিগুলো স্থায়ী চন্দ্রবেস তৈরি করতে প্রতিযোগিতায় জড়িত। NASA, প্রশাসক জারেড ইসাকম্যানের নেতৃত্বে, ড্রোন, রোবটিক ল্যান্ডার, নিক্লিয়ার পাওয়ার এবং বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি অন্তর্ভুক্ত করে একটি আকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা উঠিয়েছে, যার মধ্যে প্রাথমিক Antariksha yatri মিশনের লক্ষ্য ২০২৮ এবং দীর্ঘমেয়াদী বাসস্থানের লক্ষ্য ২০৩০-এর দশকে। চীনের কাছে تقریباً সমতুল্য পরিকল্পনা আছে, এবং প্রথম राष्ट्र যো চন্দ্রে বেস স্থাপন করবে, চন্দ্রের ভবিষ্যৎকে আকার দেবে। চন্দ্র বৈজ্ঞানিক মূল্য প্রদান করে—প্রাচীন শিলা, টেলেস্কপের স্থান, এবং নিম্ন-গুরুত্ববর্ষণ লঞ্চের পয়েন্ট—কিন্তু একটি স্ব-নির্ভর বেস তৈরি করা অসংখ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি: विकिरণ, सूक्ष्म उल्का पिंड, अत्यधिक तापमान, এবং स्वायत्त निर्माण की आवश्यकता। বিশেষজ্ঞরা এটি "শূন্য থেকে সভ্যতার শুরু" বলেন।
মुख্য entidades: ব্যক্তি: জারেড ইসাকম্যান, কার্লস গার্সিয়া-গালান, জোসেফ আশবাচher, সাইমন মিডলবার্গ | স্থান: চন্দ্র, NASA, ইউরোপীয় Antariksha এজেন্সি, বাঙ্গোর বিশ্ববিদ্যালয়, ভেলস
সাধারণ প্রশ্ন: কেন চন্দ্র আবার Antariksha অনুসন্ধানের ফোকাস হয়ে উঠছে?
চন্দ্র গভীর Antariksha যাত্রার জন্য একটি রণনৈতিক পদক্ষেপ, সৌর মন্ডল সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে, এবং নিম্ন-গুরুত্ববর্ষণ লঞ্চকে সম্ভব করে তোলে। এতে জল এবং মানব উপস্থিতি বজায় রাখতে জরুরি সম্পদও রয়েছে।
উৎস: MIT Technology Review · সারাংশ: HeadlinesBriefing