উগান্ডা জেনারেল মুহোজি কাইনেরুগাবা, prezিডেন্ট যোয়ারি মুসেভেনির পুত্রের নেতৃত্বে গंभीর দমনের মুখোমুখি, যেখানে হিংসা, মিডিয়া সেনসরশিপ এবং রাজ্য নিগরানী তীব্রতর হচ্ছে। বিদেশী প্রযুক্তি —চীনা ক্যামেরা, রুশি ট্র্যাকিং চিপ এবং ইজরাইলি স্পাইওয়্যার— একটি ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ তন্ত্রকে সক্ষম করছে। এই পরিবর্তন একটি বিস্তৃত বিশ্বব্যাপী প্রবृতिबিম্বিত করে যেখানে তানাশাহী শাসন উন্নত নিগরানী সরঞ্জাম ব্যবহার করছে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ কম। আফ্রিকা একটি পরীক্ষামূলক জমি হয়ে উঠেছে, jossa ফ্রিডম হাউসের রিপোর্ট অনুযায়ী শুধুমাত্র 10% আফ্রিকান "মুক্ত" দেশে বাস করে। চীনの অর্থনৈতিক প্রভাব তার দেশীয় নিগরানী সিস্টেমের রপ্তানি সহজ করেছে, যখন পশ্চিমীয় राष्ट्रসমূহ, যুক্তরাষ্ট্র অন্তর্ভুক্ত, মানবাধিকারের লঙ্ঘনের আलोचना কমাতে থাকছে। আমেরিকান প্রতিবাদının পিছনে হেঁটে উগান্ডার মতো শাসনগুলো সাহসিক হচ্ছে, যাलोকে आलोचক "অনিয়ন্ত্রিত তানাশাহী" এর নতুন যুগ বলছেন।
উৎস: New York Times Top Stories · সারাংশ: HeadlinesBriefing