HeadlinesBriefing HeadlinesBriefing.com

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি ফোন আমদানি: সুবিধা-অসুবিধা

Engadget •
×

বিদেশ থেকে নতুন ফোন কেনার আগে অনেক কিছু বিবেচনা করা দরকার। যুক্তরাষ্ট্রে iPhone ও Pixel-এর মতো অনেক স্মার্টফোনের বিকল্প রয়েছে, তবে Xiaomi-র ফোল্ডেবল, Honor-এর Magic সিরিজ এবং OPPO-র Find X ফোনের মতো আকর্ষণীয় মডেল দেশে পাওয়া যায় না। এসব ডিভাইস আমদানি করা সম্ভব, তবে এতে চ্যালেঞ্জ আছে, যেমন ক্যারিয়ারের সঙ্গে সামঞ্জস্যের সমস্যা, ওয়ারেন্টি সহায়তার অভাব এবং সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতা।

ক্রেতাদের উচিত তাদের মার্কিন ক্যারিয়ারের সঙ্গে ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের সামঞ্জস্য যাচাই করা, কারণ ব্যান্ড না মিললে 5G সমর্থন নাও পাওয়া যেতে পারে অথবা শুধু LTE-এর ওপর নির্ভর করতে হতে পারে। Wi-Fi কলিং, VoLTE ও ভিজ্যুয়াল ভয়েসমেইলের মতো সুবিধার জন্য ক্যারিয়ার সার্টিফিকেশন লাগতে পারে, যা আমদানিকৃত ফোনে সাধারণত থাকে না। সফটওয়্যার আপডেটও দেরিতে আসতে পারে বা নির্দিষ্ট অঞ্চলের জন্য সীমিত থাকতে পারে।

কিছু চীনা ফোন Google Play Services সমর্থন করে না, ফলে আপডেট নিজে করতে হয় এবং অপ্রয়োজনীয় স্থানীয় অ্যাপ থাকতে পারে। ওয়ারেন্টি সেবাও কঠিন হতে পারে, কারণ অনেক ব্র্যান্ডের যুক্তরাষ্ট্রে অফিসিয়াল প্রতিনিধি নেই, তাই মেরামত প্রায়ই নির্মাতার অনুমোদনহীন তৃতীয় পক্ষের দোকানে করাতে হয়।

এই অসুবিধাগুলো সত্ত্বেও আমদানির মাধ্যমে তিন-স্ক্রিনের ফোল্ডেবল, DSLR-মানের ক্যামেরাসমৃদ্ধ ফ্ল্যাগশিপ এবং বড় ব্যাটারির ডিভাইসের মতো উদ্ভাবনী হার্ডওয়্যার পাওয়া যায়, যা এখনও যুক্তরাষ্ট্রে আসেনি। এতে আন্তর্জাতিক রিলিজের আগাম সুবিধা এবং ডুয়াল-SIM সমর্থনও মেলে, যা অনেক মার্কিন ফোন eSIM-এর পক্ষে বাদ দিয়েছে। যারা এই জটিলতা সামলাতে প্রস্তুত, তাদের জন্য আমদানি লাভজনক হতে পারে, তবে যারা নির্ভরযোগ্য সহায়তা ও পূর্ণ ফিচার-সামঞ্জস্য চান, তাদের জন্য দেশে সমর্থিত ফোন নিরাপদ পছন্দ হতে পারে।

উৎস: Engadget · সারাংশ: HeadlinesBriefing